বৃহস্পতিবার

মলয় রায়চৌধুরীর আত্মজীবনী

 


প্রতিভাস-এর নতুন বই- ( বইমেলায় পাওয়া যাবে )
জীবনী / আত্মজীবনী
ছোটোলোকের জীবন
মলয় রায়চৌধুরী
প্রচ্ছদ শিল্পী : সুদীপ্ত দত্ত
যে লেখকের কলমের ভরকেন্দ্রে থাকে মনস্থিতির বোধ ও উপলব্ধি, একাকিত্বের প্রকাশ্য জবানবন্দি, তাঁর সামনে দাঁড়ানোর আগে তাই আড়াল খুঁজতে হয়। প্রচলিত জনপ্রিয় সাহিত্যের সেই ‘আরাম’ বোধটা তখন হারিয়ে যায় দুম করে। কারণ ভিন্ন ধারার, ভিন্ন আঙ্গিকের সততা এতটাই তীব্র এবং অসহনীয়। ‘ছোটোলোকের জীবন’ আত্মজীবনী হলেও এ লেখায় উঠে এসেছে তার চেয়েও বেশি কিছু। কী ভাবে মলয় রায়চৌধুরী তাঁর লেখায় আত্মপ্রক্ষেপণ ঘটিয়েও নিরপেক্ষ হয়ে যান, সামাজিক ঘটনার দ্রষ্টা হন, নির্মম সমালোচনায় শাণিত ইস্পাত হয়ে ওঠেন, তাঁর এই আত্মজীবনী পড়লে টের পাওয়া যায়। মলয় রায়চৌধুরীর যা পশ্চাৎপট, এই বই পড়ে বুঝতে পারা যায়, তা সাধারণ কলকাতাবাসী ঘটি বা বাঙাল মধ্যবিত্তের কল্পনার অতীত। সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের পড়ন্ত আভিজাত্যের বিলীয়মান ছায়া ছেড়ে পাটনার অন্ত্যজ ও অতিদরিদ্র মুসলমান পরিবার অধ্যুষিত ইমলিতলার বস্তিপাড়া ঘুরে মলয় যেখানে পৌঁছোলেন, সেই সফর সময়সাপেক্ষ এবং কেটে যেতে পারে গোটা জীবনও। মলয় জীবন আরম্ভ করেছিলেন নোট পোড়ানোর চাকরি দিয়ে; তার পর ভারতের গ্রামগঞ্জ দেখার লোভে সেই সরকারি চাকুরি ছেড়ে চল্লিশ বছর যে ভাবে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলেন তার আকর হয়ে উঠেছে ‘ছোটোলোকের জীবন’।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন