শৈলেশ্বর ঘোষ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শৈলেশ্বর ঘোষ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বৃহস্পতিবার
লোভের ফাঁদ পেতে প্রতিষ্ঠান যে আপনাকে টুপি পরিয়ে দিয়েছে তা আপনি নিজেই জানতে পারেননি
লেবেলসমূহ:
শৈলেশ্বর ঘোষ,
Saileswar Ghosh
সোমবার
হাংরি আন্দোলনের ইতিহাসকে বিকৃত করার অপচেষ্টা : কথাকলি দত্ত
লেবেলসমূহ:
শঙ্খ ঘোষ,
শৈলেশ্বর ঘোষ,
Hungry Generation.,
Malay Roychoudhury,
Sabyasachi Sen,
Saileswar Ghosh
রবিবার
শৈলেশ্বর ঘোষ ও মলয় রায়চৌধুরী সম্পর্কে বাসব রায়
লেবেলসমূহ:
শঙ্খ ঘোষ,
শৈলেশ্বর ঘোষ,
Hungry Generation.,
Sabyasachi Sen,
Saileswar Ghosh
শৈলেশ্বর ঘোষ ও শঙ্খ ঘোষ সম্পর্কে সমরজিৎ সিংহ
লেবেলসমূহ:
শঙ্খ ঘোষ,
শৈলেশ্বর ঘোষ,
হাংরি আন্দোলন,
Hungry Generation,
Sabyasachi Sen,
Saileswar Ghosh
শুক্রবার
কথাকলি দত্ত : ইতিহাসের বিকৃতি : শঙ্খ ঘোষকে হাংরি বানিয়েছেন সব্যসাচী সেন !!
কথাকলি দত্ত : ইতিহাসের বিকৃতি
হাংরি জেনারেশন রচনা সংগ্রহ যখন দে’জ এর মতন নামী প্রকাশন সংস্হা প্রকাশ করে, তখন মনে ফুর্তি হয় । তাই বইটি তড়িঘড়ি সম্পাদকের কাছ থেকে সংগ্রহ করি । সম্পাদক সব্যসাচী সেনকে আমি জানি না । প্রথমে ভেবেছিলাম, ঘ্যাম কেউ হবেন বোধহয়, খোঁজখবর নিয়ে দেখলাম, না না, তেমন কেউ নন, শৈলেশ্বর ঘোষের চামচা । শঙ্খ ঘোষ অবধি এখনও পৌঁছোতে পারেনি বেচারা, চেষ্টা যদিও আছে খুবই, তবে শঙ্খর চামচা অভীক মজুমদারের কাছ অবধি পৌঁছে গেছে । যদি ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ে । কথা হচ্ছে হাংরিদের নিয়ে -- এর মধ্যে আবার শঙ্খ ঘোষ এলেন কোথ্থেকে ! অভীক ভাইটি, সব্যসাচীর ভাইপোটি, শঙ্খ ঘোষকে আমি আনিনি -- এনেছ তোমরা -- বইয়ের শুরুতে । যে মাঝারি মাপের কবিটি লম্বা জিব বের করে সারা জীবন আনন্দবাজারের পা চেটে-চেটে কবিগুরু হলেন, তিনি নাকি হাংরি ! সোনার পাথরবাটি ! কাঁঠালের আমসত্ব ! তাঁর খিদে তো অন্য ভাই অভীক, ভাইপো সব্যসাচী ।
এখন ৬৭০ পাতার বই তোমাদের প্রকাশ করতে হল শুধু শঙ্খর নির্দেশে, শৈলেশ্বরকে হিরো বানাতে এবং হাংরি স্রষ্টা মলয় রায়চৌধুরীকে হেয় করতে ! বেচারা ! ইতিহাস চক-ডাস্টার নয় যা চাইলেই মুছে দেওয়া যায় ।
যে যাই বলুক, হাংরি আন্দোলনের স্রষ্টা মলয় রায়চৌধুরীই ছিলেন । তাঁর সঙ্গে আরও অনেকেই হয়তো ছিলেন, কিন্তু মলয় রায়চৌধুরী এই আন্দোলনের জনক ।
অভিভাবকবাবুরা কথা ঘোরাতে চাইলেও সত্যিটা সত্যই থাকবে । মলয়ের নেতৃত্বে ১১ টি প্রস্তাবের ইশতাহার বের করেছিল আন্দোলনকারীরা । একটা টকে যাওয়া ও পচে যাওয়া সময়ের বিরুদ্ধে ছিল প্রতিষ্ঠানবিরোধী প্রতিবাদ ।
লেবেলসমূহ:
শঙ্খ ঘোষ,
শৈলেশ্বর ঘোষ,
Hungry Generation.,
Malay Roychoudhury
বুধবার
তৃণমূলের দলদাস ও প্রতিষ্ঠানের বরপুত্র শৈলেশ্বর ঘোষ বসে আছেন প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতাবান মন্ত্রীর পাশে
লেবেলসমূহ:
শৈলেশ্বর ঘোষ,
Hungry Generation
শুক্রবার
বাসব রায় (যুগশঙ্খ, গৌহাটি ) : শৈলেশ্বর ঘোষরা হাংরির ক্ষীরটা খেতে চেয়েছেন
লেবেলসমূহ:
শৈলেশ্বর ঘোষ,
Hungry Generation
মঙ্গলবার
তৃণমূল -এর দলদাস শৈলেশ্বর ঘোষ
সিপিএম
কর্তৃত্বের একঘেয়ে নাগপাশ ছিন্ন করে, রাজ্য লিটলম্যাগাজিন মেলা নতুন
প্রাণে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে ২০১২ সালে। ২০১২ ছিল এই মেলার ক্রান্তিকাল।
উদ্বোধন মুহূর্তের ঐতিহাসিক সন্নিবেশন : মঞ্চে মধ্যমণি সভামুখ্য মহাশ্বেতা
দেবী ও দুপাশে দুই কবি জয় গোস্বামী ও শৈলেশ্বর ঘোষ।
সভা সঞ্চালন করছেন কবি প্রসূন ভৌমিক।
বাংলা সাহিত্যের যশস্বী সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী সদ্য প্রয়াত হয়েছেন বিগত ২৮ জুলাই। গোপা চক্রবর্তী সম্পাদিত ‘নভোনীড়’ সাহিত্য পত্রিকার অক্টোবর শারদসংখ্যায় এই আলোকচিত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। ফোটো শংকর রায়।
সভা সঞ্চালন করছেন কবি প্রসূন ভৌমিক।
বাংলা সাহিত্যের যশস্বী সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী সদ্য প্রয়াত হয়েছেন বিগত ২৮ জুলাই। গোপা চক্রবর্তী সম্পাদিত ‘নভোনীড়’ সাহিত্য পত্রিকার অক্টোবর শারদসংখ্যায় এই আলোকচিত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। ফোটো শংকর রায়।
রবিবার
অনির্বান সরকার : কবি মলয় রায়চৌধুরী ও একটি মামলা
কবি মলয় রায়চৌধুরি এবং একটি মামলা:
.
'আর্ট ফর আর্টস সেক'- রোমান্টিক এই ধারণার বিপরীতবিন্দুতে দাঁড়িয়ে একটি কাঁপিয়ে দেয়া সাহিত্য আন্দোলন শুরু হয়েছিলো ষাট দশকের কলকাতায়, যার নাম- হাংরি আন্দোলন। ১৯৬১ থেকে ১৯৬৫- সময় খুব বেশি নয়, মাত্র বছর চারেক, এর মাঝেই পাওয়া যাচ্ছিলো বাংলা সাহিত্যের বাঁকবদলের ইঙ্গিত। দুই ভাই মলয় রায়চৌধুরি আর সমীর রায়চৌধুরি, তাঁদের সাথে শক্তি চট্টোপাধ্যায় সুনির্মল বসু, দেবী রায় (আসল নাম- হারাধন ধাড়া)- এঁরা পাটনা থেকে ১৯৬১- তে প্রকাশ করেন একটি ইশতেহার। বাংলা ছাপানোর প্রেসের অভাবে ইংরেজিতেই ঐ ইশতেহার প্রকাশিত হয়। ইশতেহার প্রকাশ করে সাহিত্য আন্দোলন শুরু করার প্রথম নজির ছিলো ওইটি।
হাংরি আন্দোলনকারীরা কি করতেন? প্রথমত প্রবলভাবে প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা; কবিতায়, গল্পে ইচ্ছেমতো শব্দের প্রয়োগ- তৎকালে যেসব শব্দ বাংলা সাহিত্যে অরুচিকর বলে পরিত্যাজ্য ছিলো। তাঁরা 'মানুষের বাচ্চা', 'ঢপের কাগজ'- এইসব নামে প্রকাশ করতেন বুলেটিন। বুলেটিনের দাম লেখা থাকতো- কয়েক লক্ষ টাকা (সব বুলেটিনই প্রায় হারিয়ে গেছে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু এবং ঢাকার বাংলা একাডেমিতে কয়েকটি শুধু সংরক্ষিত আছে)। শুধু তাই নয়, তাঁরা শুঁড়িখানা, কবরে, গোরস্থানে কবিতা পাঠের আসর বসানোর পাশাপাশি সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের জীবজন্তুর মুখোশ পাঠিয়ে তাদের মুখোশগুলো খুলে ফেলার আহ্বান জানাতেন। পত্রিকা অফিসে জুতোর বাক্সে পাঠাতেন কবিতা, কিছুই না লিখে সাদা কাগজ পাঠাতেন- নাম দিতেন- 'ছোটগল্প'। অশ্লীল পোস্টার, লিফলেট এঁকে বিলি করতেন তাঁরা, ছবি প্রদর্শনীর পর ছবিতে আগুন ধরিয়ে দিতেন।
তাঁদের এই বৈপ্লবিক ব্যাপারস্যাপার তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভালোভাবে নেয়নি। অবশ্য সরকারমাত্রেই জুজুর ভয় পায়।
.
* গ্রেফতার ও মামলা:
১৯৬৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইণ্ডিয়ান পেনাল কোডের ১২০বি, ২৯২ এবং ২৯৪ ধারায় ১১ জন হাংরি আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হবেছিল । তাঁরা হলেন: সমীর রায়চৌধুরী, মলয় রায়চৌধুরি, দেবী রায় , সুভাষ ঘোষ , শৈলেশ্বর ঘোষ , প্রদীপ চৌধুরী, উৎপলকুমার বসু, রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়, বাসুদেব দাশগুপ্ত, সুবো আচার্য এবং সুবিমল বসাক । এঁদের মধ্যে প্রথম ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং কলকাতার কোর্টে তোলা হয় । মলয় রায়চৌধুরিকে হাতে হাতকড়া এবং কোমরে দড়ি বঁধে রাস্তায় হঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় চোর-ডাকাতদের সঙ্গে । মোকদ্দমার ফলে উৎপলকুমার বসু অধ্যাপনার চাকরি থেকে বরখাস্ত হন, প্রদীপ চৌধুরি রাসটিকেট হন বিশ্বভারতী থেকে, সমীর রায়চৌধুরি সরকারি চাকরি থেকে সাসপেন্ড হন, সুবিমল বসাক ও দেবী রায়কে কলকাতার বাইরে বদলি করে দেয়া হয়, সুবো আচার্য ও রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় ফেরার হয়ে যান । অনেকে হাংরি আন্দোলন ভয়ে ত্যাগ করেন । লালবাজারের কনফারেন্স রুমে মলয় রায়চৌধুরি এবং সমীর রায়চৌধুরিকে জেরা করেন একটি ইনভেসটিগেটিং বোর্ড যার সদস্যরা ছিলেন স্বরাষ্ট্র দফতর, পুলিশ প্রশাসন, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ, ভারতীয় সেনার প্রতিনিধিরা এবং পশ্চিমবঙ্গের আ্যাডভোকেট জেনারেল । ১২০বি ধারাটি ছিল ষড়যন্ত্রের, এবং সেকারণে প্রত্যেক হাংরি আন্দোলনকারী সম্পর্কে ডোসিয়ার খুলে ফেলেছিলেন কলকাতা গোয়েন্দা বিভাগ । গ্রেফতারের সময়ে প্রত্যেকের বাড়ি লণ্ড-ভণ্ড করা হয়েছিল । বইপত্র, ডায়েরি, টাইপরাইটার, ফাইল, পাণ্ডুলিপি, কবিদের চিঠির সংগ্রহ ইত্যাদি যেগুলো পুলিশ নিয়ে গিয়েছিল তা আর তাঁরা ফেরত পাননি ।
.
* মলয় রায়চৌধুরি ও 'প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার':
কবি মলয় রায়চৌধুরি হাংরি আন্দোলনের একজন পুরোধা। শুরুর দিকে ভাই সমীর রায়চৌধুরি আর সুবিমল বসাক, দেবী রায়কে নিয়ে তিনিই হাংরি আন্দোলনের সূচনা করেন। যখন হাংরি আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করা হয়, তার মধ্যে মলয় রায়চৌধুরিও ছিলেন, এবং তার একটি কবিতার বিরুদ্ধেই মূলত অভিযোগ দায়ের করা হয়। কবিতাটির নাম 'প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার'।
কবিতাটি 'হাংরি বুলেটিন ১৯৬৪' সংখ্যায় প্রকাশের পর হাংরি আন্দোলনকারীদের মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভারতীয় দণ্ড বিধির ১২০বি (রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র), ২৯২ (সাহিত্যে অশ্লীলতা) এবং ২৯৪ (তরুণদের বিপথগামী করা) ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এর মধ্যে মলয় রায়চৌধুরিসহ অন্যান্য যাঁরা সংখ্যাটিতে লিখেছিলেন তাঁদের মধ্যে ছয়জনকে কলকাতা পুলিশ গ্রেফতার করে। ১৯৬৫ সালের মে মাসে বাকি সবাইকে মুক্তি দেয়া হলেও মলয় রায়চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২৯২ ধারায় চার্জশিট প্রদান করা হয় এবং ৩৫ মাসব্যাপী এ মামলা চলে। মলয়ের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, তরুণ সান্যাল, জ্যোতির্ময় দত্ত এবং সত্রাজিত দত্ত আর বিপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন শক্তি চট্টোপাধ্যায় (আমি ঠিক জানিনা শক্তি বিপক্ষে কেন! বোধহয় তিনি ততদিনে এ আন্দোলন ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন) শৈলেশ্বর ঘোষ, সুভাষ ঘোষ, পবিত্র বল্লভ, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় এবং উৎপলকুমার বসু। নিম্ন আদালতে মলয় রায়চৌধুরীর ২০০ টাকা জরিমানা অনাদায়ে একমাসের কারাদণ্ডের আদেশ হয়েছিলো। ১৯৬৭ সালে কলকাতা উচ্চ আদালত মামলাটি খারিজ করে কবিতাটির সম্মান পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিল। কবিতাটি ভারতের এবং ইউরোপের বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে।
এই একটি মামলাতেই কিন্তু হাংরি জেনারেশনের খ্যাতি কলকাতার গণ্ডি ছাড়িয়ে পৃথিবীময় ছড়িয়ে পড়ে। বিখ্যাত 'টাইম' ম্যাগাজিনেও এঁদের নিয়ে আর্টিকেল প্রকাশিত হয়।
'প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার' কবিতার লিংক (নিজ দায়িত্বে পড়বেন):
http://www.somewhereinblog.net/blog/pompa007blog/28880937
.
'আর্ট ফর আর্টস সেক'- রোমান্টিক এই ধারণার বিপরীতবিন্দুতে দাঁড়িয়ে একটি কাঁপিয়ে দেয়া সাহিত্য আন্দোলন শুরু হয়েছিলো ষাট দশকের কলকাতায়, যার নাম- হাংরি আন্দোলন। ১৯৬১ থেকে ১৯৬৫- সময় খুব বেশি নয়, মাত্র বছর চারেক, এর মাঝেই পাওয়া যাচ্ছিলো বাংলা সাহিত্যের বাঁকবদলের ইঙ্গিত। দুই ভাই মলয় রায়চৌধুরি আর সমীর রায়চৌধুরি, তাঁদের সাথে শক্তি চট্টোপাধ্যায় সুনির্মল বসু, দেবী রায় (আসল নাম- হারাধন ধাড়া)- এঁরা পাটনা থেকে ১৯৬১- তে প্রকাশ করেন একটি ইশতেহার। বাংলা ছাপানোর প্রেসের অভাবে ইংরেজিতেই ঐ ইশতেহার প্রকাশিত হয়। ইশতেহার প্রকাশ করে সাহিত্য আন্দোলন শুরু করার প্রথম নজির ছিলো ওইটি।
হাংরি আন্দোলনকারীরা কি করতেন? প্রথমত প্রবলভাবে প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা; কবিতায়, গল্পে ইচ্ছেমতো শব্দের প্রয়োগ- তৎকালে যেসব শব্দ বাংলা সাহিত্যে অরুচিকর বলে পরিত্যাজ্য ছিলো। তাঁরা 'মানুষের বাচ্চা', 'ঢপের কাগজ'- এইসব নামে প্রকাশ করতেন বুলেটিন। বুলেটিনের দাম লেখা থাকতো- কয়েক লক্ষ টাকা (সব বুলেটিনই প্রায় হারিয়ে গেছে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু এবং ঢাকার বাংলা একাডেমিতে কয়েকটি শুধু সংরক্ষিত আছে)। শুধু তাই নয়, তাঁরা শুঁড়িখানা, কবরে, গোরস্থানে কবিতা পাঠের আসর বসানোর পাশাপাশি সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের জীবজন্তুর মুখোশ পাঠিয়ে তাদের মুখোশগুলো খুলে ফেলার আহ্বান জানাতেন। পত্রিকা অফিসে জুতোর বাক্সে পাঠাতেন কবিতা, কিছুই না লিখে সাদা কাগজ পাঠাতেন- নাম দিতেন- 'ছোটগল্প'। অশ্লীল পোস্টার, লিফলেট এঁকে বিলি করতেন তাঁরা, ছবি প্রদর্শনীর পর ছবিতে আগুন ধরিয়ে দিতেন।
তাঁদের এই বৈপ্লবিক ব্যাপারস্যাপার তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভালোভাবে নেয়নি। অবশ্য সরকারমাত্রেই জুজুর ভয় পায়।
.
* গ্রেফতার ও মামলা:
১৯৬৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইণ্ডিয়ান পেনাল কোডের ১২০বি, ২৯২ এবং ২৯৪ ধারায় ১১ জন হাংরি আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হবেছিল । তাঁরা হলেন: সমীর রায়চৌধুরী, মলয় রায়চৌধুরি, দেবী রায় , সুভাষ ঘোষ , শৈলেশ্বর ঘোষ , প্রদীপ চৌধুরী, উৎপলকুমার বসু, রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়, বাসুদেব দাশগুপ্ত, সুবো আচার্য এবং সুবিমল বসাক । এঁদের মধ্যে প্রথম ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং কলকাতার কোর্টে তোলা হয় । মলয় রায়চৌধুরিকে হাতে হাতকড়া এবং কোমরে দড়ি বঁধে রাস্তায় হঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় চোর-ডাকাতদের সঙ্গে । মোকদ্দমার ফলে উৎপলকুমার বসু অধ্যাপনার চাকরি থেকে বরখাস্ত হন, প্রদীপ চৌধুরি রাসটিকেট হন বিশ্বভারতী থেকে, সমীর রায়চৌধুরি সরকারি চাকরি থেকে সাসপেন্ড হন, সুবিমল বসাক ও দেবী রায়কে কলকাতার বাইরে বদলি করে দেয়া হয়, সুবো আচার্য ও রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় ফেরার হয়ে যান । অনেকে হাংরি আন্দোলন ভয়ে ত্যাগ করেন । লালবাজারের কনফারেন্স রুমে মলয় রায়চৌধুরি এবং সমীর রায়চৌধুরিকে জেরা করেন একটি ইনভেসটিগেটিং বোর্ড যার সদস্যরা ছিলেন স্বরাষ্ট্র দফতর, পুলিশ প্রশাসন, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ, ভারতীয় সেনার প্রতিনিধিরা এবং পশ্চিমবঙ্গের আ্যাডভোকেট জেনারেল । ১২০বি ধারাটি ছিল ষড়যন্ত্রের, এবং সেকারণে প্রত্যেক হাংরি আন্দোলনকারী সম্পর্কে ডোসিয়ার খুলে ফেলেছিলেন কলকাতা গোয়েন্দা বিভাগ । গ্রেফতারের সময়ে প্রত্যেকের বাড়ি লণ্ড-ভণ্ড করা হয়েছিল । বইপত্র, ডায়েরি, টাইপরাইটার, ফাইল, পাণ্ডুলিপি, কবিদের চিঠির সংগ্রহ ইত্যাদি যেগুলো পুলিশ নিয়ে গিয়েছিল তা আর তাঁরা ফেরত পাননি ।
.
* মলয় রায়চৌধুরি ও 'প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার':
কবি মলয় রায়চৌধুরি হাংরি আন্দোলনের একজন পুরোধা। শুরুর দিকে ভাই সমীর রায়চৌধুরি আর সুবিমল বসাক, দেবী রায়কে নিয়ে তিনিই হাংরি আন্দোলনের সূচনা করেন। যখন হাংরি আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করা হয়, তার মধ্যে মলয় রায়চৌধুরিও ছিলেন, এবং তার একটি কবিতার বিরুদ্ধেই মূলত অভিযোগ দায়ের করা হয়। কবিতাটির নাম 'প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার'।
কবিতাটি 'হাংরি বুলেটিন ১৯৬৪' সংখ্যায় প্রকাশের পর হাংরি আন্দোলনকারীদের মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভারতীয় দণ্ড বিধির ১২০বি (রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র), ২৯২ (সাহিত্যে অশ্লীলতা) এবং ২৯৪ (তরুণদের বিপথগামী করা) ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এর মধ্যে মলয় রায়চৌধুরিসহ অন্যান্য যাঁরা সংখ্যাটিতে লিখেছিলেন তাঁদের মধ্যে ছয়জনকে কলকাতা পুলিশ গ্রেফতার করে। ১৯৬৫ সালের মে মাসে বাকি সবাইকে মুক্তি দেয়া হলেও মলয় রায়চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২৯২ ধারায় চার্জশিট প্রদান করা হয় এবং ৩৫ মাসব্যাপী এ মামলা চলে। মলয়ের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, তরুণ সান্যাল, জ্যোতির্ময় দত্ত এবং সত্রাজিত দত্ত আর বিপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন শক্তি চট্টোপাধ্যায় (আমি ঠিক জানিনা শক্তি বিপক্ষে কেন! বোধহয় তিনি ততদিনে এ আন্দোলন ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন) শৈলেশ্বর ঘোষ, সুভাষ ঘোষ, পবিত্র বল্লভ, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় এবং উৎপলকুমার বসু। নিম্ন আদালতে মলয় রায়চৌধুরীর ২০০ টাকা জরিমানা অনাদায়ে একমাসের কারাদণ্ডের আদেশ হয়েছিলো। ১৯৬৭ সালে কলকাতা উচ্চ আদালত মামলাটি খারিজ করে কবিতাটির সম্মান পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিল। কবিতাটি ভারতের এবং ইউরোপের বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে।
এই একটি মামলাতেই কিন্তু হাংরি জেনারেশনের খ্যাতি কলকাতার গণ্ডি ছাড়িয়ে পৃথিবীময় ছড়িয়ে পড়ে। বিখ্যাত 'টাইম' ম্যাগাজিনেও এঁদের নিয়ে আর্টিকেল প্রকাশিত হয়।
'প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার' কবিতার লিংক (নিজ দায়িত্বে পড়বেন):
http://www.somewhereinblog.net/blog/pompa007blog/28880937
.
লেবেলসমূহ:
রাজসাক্ষী,
শৈলেশ্বর ঘোষ,
সুভাষ ঘোষ,
Anirban Sarkar,
Hungry Generation,
Malay Roychoudhury
মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শৈলেশ্বর ঘোষ
লেবেলসমূহ:
বিশ্বাস ঘাতক,
মুচলেকা,
রাজসাক্ষী,
শঙ্খ ঘোষ,
শৈলেশ্বর ঘোষ
শৈলেন সরকার : হাংরি আন্দোলন ও নকশাল আন্দোলনের তুলনা এবং চোরেদের কুকীর্তি
![]()
–– ADVERTISEMENT ––
|
হাংরি আন্দোলন শুরুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পর সেই সময় ও পরবর্তী কালে এই আন্দোলনে যোগ দেওয়া কবি ও গদ্যলেখকদের রচনাসংগ্রহ সম্পাদনায় উদ্যোগী হয়ে সব্যসাচী সেন খুবই প্রয়োজনীয় কাজ করেছেন। তবে উৎপলকুমার বসুর ‘পোপের সমাধি’ কবিতাটি বর্তমান সংগ্রহে না থাকাটা রীতিমতো বিস্ময়কর। আর হাংরি আন্দোলন নিয়ে ‘সম্প্রতি’ পত্রিকায় প্রকাশিত শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের পুরো প্রবন্ধটিও থাকা উচিত ছিল। সর্বোপরি সমীর রায়চৌধুরী ও মলয় রায়চৌধুরী প্রসঙ্গ। সম্পাদকীয়ের শুরুতেই আমরা সম্পাদকের এক ‘বন্ধু’র বয়ানে জেনে যাই, ‘এই (হাংরি কিংবদন্তি) গ্রন্থে মলয় রায়চৌধুরী অতীব যত্ন সহকারে নিজেকে হাংরি আন্দোলনের স্রষ্টা বলে প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছেন যা সর্বৈব মিথ্যা। হাংরি সাহিত্যের স্রষ্টা হলেন শক্তি চট্টোপাধ্যায়।’ সে ক্ষেত্রে যতই শক্তি চট্টোপাধ্যায় শৈলেশ্বর ঘোষের ‘তিন বিধবা’ কবিতা প্রকাশের পর আন্দোলন থেকে বিদায় নিন, অন্তত ঐতিহাসিক কারণে তাঁর ‘সীমান্ত প্রস্তাব ১/ মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি নিবেদন’ কবিতাটি এখানে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত ছিল। আর, শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে এই আন্দোলনের সৃষ্টিকর্তা ধরে নিলে তিনিই যখন আদালতে দাঁড়িয়ে ‘এটা ঘটনা যে, এই সাহিত্য আন্দোলন (হাংরি জেনারেশন) আমি কয়েক জন বন্ধুকে নিয়ে শুরু করেছিলাম’ বলে সাক্ষ্য দেন আর কয়েক জন বন্ধুর মধ্যে মলয় রায়চৌধুরী থাকেন তখন মলয় সৃষ্টিকর্তা হোন বা না হোন তাঁর অন্তত একটি লেখা এই সংকলনে ঠাঁই পাওয়ার অধিকার পেয়ে যায়। বিশেষ করে তাঁর যে লেখার জন্য এত কোর্ট কাছারি এত সাক্ষ্যদান সেই ‘প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক কুঠার’ থাকবে না? শক্তি বা আরও অনেক কবিই এই লেখাটিকে বাজে লেখা বলেছিলেন, কিন্তু ইতিহাসের দাবিতেই এই লেখা বা সমীর রায়চৌধুরীর লেখা এই সঙ্কলনভুক্ত হওয়া উচিত ছিল। সম্পাদকীয়তে বলা আছে, ‘সুভাষ ঘোষের একটি বক্তব্যে জানা যাচ্ছে—‘‘তখন হাংরি জেনারেশনের প্রথম পর্ব শেষ... শেষ পর্বে ঝাঁকের কই মিশে গ্যাছে ঝাঁকে— আমাদের নিয়ে ’৬৩-’৬৪তে আরম্ভ দ্বিতীয় পর্বের’’—। এই সংগ্রহকে ‘হাংরি জেনারেশন (দ্বিতীয় পর্ব)’ বললে মলয়, সমীর, শক্তি বা উৎপলকুমার বসুর লেখা বাদ দেওয়ার যুক্তি বোঝা যেত। অন্য দিকে যতই মলয় রায়চৌধুরী উদ্বাস্তুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ করে থাকুন বা নিজের বুর্জোয়া অতীত নিয়ে গর্ব প্রকাশ করুন বা ১৯৬৪ সালে হাংরি জেনারেশনের মৃত্যু ঘোষণা করুন, তাতে তিনি যে ১৯৬৫-র আগে পর্যন্ত অর্থাৎ হাংরি জেনারেশনের প্রথম পর্বের এক জন ছিলেন এটা তো অপ্রমাণ হয় না। অর্থাৎ কোথাও যেন একটু উদারতার অভাব থেকে গেল।
( উল্লেখ্য যে শৈলেশ্বর ঘোষ ও সুভাষ ঘোষ ছিলেন মলয় রায়চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী এবং সেই কারণেই মলয় রায়চৌধুরীর একমাসের কারাদণ্ডের আদেশ হয়েছিল ।
লেবেলসমূহ:
শৈলেশ্বর ঘোষ,
CPM chamcha,
Hungry Generation,
Sabyasachi Sen
শুক্রবার
শঙ্খ ঘোষের কোঁচা ধরে শৈলেশ্বর ঘোষের এসট্যাবলিশমেন্টে প্রবেশ : কৃশানু বসু
কবি শৈলেশ্বর ঘোষ।হাংরি আন্দোলনের অন্যতম কবি।
হ্যাঁ,ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল তাঁরও সঙ্গে।প্রায় দেড়দশক জুড়ে।অনেক স্মৃতি, ঋণও অনেক।তবু ভেঙে গেল, মুগ্ধতা কেটে গেল!দূরত্বও তৈরি হলো অনেকটা।দূরত্ব বাড়াতে হাজির হয়ে গেলেন তাঁর অনুগত চাকরবাকরেরা! যেমনটি হয়, যেমনটি হয়ে এসেছে এযাবৎ!
তবু অনেক ঋণ তাঁর কাছে।হাংরি এবং হাংরি ঘিরে ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনাগুলির অনেক গল্প তাঁরই কাছে শোনা যে!
ভালবাসতেন গাঁজা।ভালবাসতেন হেনরী মিলার,আঁতোয়া আর্তো,নিজের প্রশংসা এবং স্তুতি।
সাক্ষাৎকার দেবার আগে, শর্ত রাখলেন,মলয় রায়চৌধুরী এবং 'প্রচন্ড বৈদ্যুতিক ছুতার' নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা যাবেনা।মেনে নিলাম।বিরক্ত হলাম প্রথমবার।
প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার কথা বলেছেন বরাবর।একইভাবে গভীর রাতে টেলিফোনে যোগাযোগ রেখে গ্যাছেন কবি শঙ্খ ঘোষের সঙ্গে।অন্যদিকে 'শৈলেশ্বর ঘোষ সংখ্যা'-য় লিখতে অস্বীকার করেছেন 'মহামান্য' অভিভাবক-কবি শঙ্খ ঘোষ!
হ্যাঁ, মৃত্যুর আগে সরকার পরিচালিত লিটলম্যাগাজিন মেলার উদ্বোধন করার
সুযোগও পেলেন তিনি।মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জির সঙ্গে ছবিও উঠলো তাঁর!
কবির মৃত্যুর পর এসব কথা বলা যায়?
যায়! যায়তো!
হ্যাঁ, শৈলেশ্বর দা!আপনার কবিতা নিয়ে কালও কথা হলো আর এক তরুণ বন্ধুর সঙ্গে।
হ্যাঁ,ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল তাঁরও সঙ্গে।প্রায় দেড়দশক জুড়ে।অনেক স্মৃতি, ঋণও অনেক।তবু ভেঙে গেল, মুগ্ধতা কেটে গেল!দূরত্বও তৈরি হলো অনেকটা।দূরত্ব বাড়াতে হাজির হয়ে গেলেন তাঁর অনুগত চাকরবাকরেরা! যেমনটি হয়, যেমনটি হয়ে এসেছে এযাবৎ!
তবু অনেক ঋণ তাঁর কাছে।হাংরি এবং হাংরি ঘিরে ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনাগুলির অনেক গল্প তাঁরই কাছে শোনা যে!
ভালবাসতেন গাঁজা।ভালবাসতেন হেনরী মিলার,আঁতোয়া আর্তো,নিজের প্রশংসা এবং স্তুতি।
সাক্ষাৎকার দেবার আগে, শর্ত রাখলেন,মলয় রায়চৌধুরী এবং 'প্রচন্ড বৈদ্যুতিক ছুতার' নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা যাবেনা।মেনে নিলাম।বিরক্ত হলাম প্রথমবার।
প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার কথা বলেছেন বরাবর।একইভাবে গভীর রাতে টেলিফোনে যোগাযোগ রেখে গ্যাছেন কবি শঙ্খ ঘোষের সঙ্গে।অন্যদিকে 'শৈলেশ্বর ঘোষ সংখ্যা'-য় লিখতে অস্বীকার করেছেন 'মহামান্য' অভিভাবক-কবি শঙ্খ ঘোষ!
হ্যাঁ, মৃত্যুর আগে সরকার পরিচালিত লিটলম্যাগাজিন মেলার উদ্বোধন করার
সুযোগও পেলেন তিনি।মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জির সঙ্গে ছবিও উঠলো তাঁর!
কবির মৃত্যুর পর এসব কথা বলা যায়?
যায়! যায়তো!
হ্যাঁ, শৈলেশ্বর দা!আপনার কবিতা নিয়ে কালও কথা হলো আর এক তরুণ বন্ধুর সঙ্গে।
লেবেলসমূহ:
কৃশানু বসু,
প্রতিষ্ঠান,
শঙ্খ ঘোষ,
শৈলেশ্বর ঘোষ
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)













