Postmodern Poetry লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Postmodern Poetry লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মঙ্গলবার
সমীর রায়চৌধুরীর কবিতা "টেক্কা বিষয়ক জটিলতা"
লেবেলসমূহ:
Hungry Generation,
Postmodern Poetry,
Samir Roychoudhury
সমীর রায়চৌধুরীর কবিতা "প্রকৃতি"
লেবেলসমূহ:
Hungry Generation,
Postmodern Poetry,
Samir Roychoudhury
সোমবার
সমীর রায়চৌধুরী সম্পর্কে সোনালী চক্রবর্তী
লেবেলসমূহ:
Hungry Generation.,
Hungryalism,
Postmodern Poetry,
Samir Roychoudhury
বুধবার
মলয় রায়চৌধুরীর কয়েকটি অধুনান্তিক বা পোস্টমডার্ন কবিতা
একটি পোস্টমডার্ন সনেট
যে ~ পো্স্টমডার্ন ~ নাতিদীর্ঘ ~ সনেট ~ যে
যে ~ হ্যাঁ, ভাবুন, ভাবুন, বলা হয়েছে ভাবতে, ভাবুন ~ যে
যে ~ আমি বটানিকালের বটগাছ যার গুঁড়ি খুঁজছেন ~ যে
যে ~ আমি বেসনে ফ্রাই বকফুলের বড়া বাসরঘরে খেয়েছিলেন ~ যে
যে ~ এ তো এখন বুড়ো কুমির, কামড়ে মাংস ছিঁড়ে খাবে এমন নয় ~ যে
যে ~ আমি কিউরিও-দোকানের দোয়াত, কলমে নিব চেরা ~ যে
যে ~ পিঁপড়ের মৃত্যুতে শোকসভায় কবিতাপাঠ হয় না ~ যে
যে ~ জজসাহেব তো মৃত্যুদণ্ড দিয়েই খালাস ~ যে
যে ~ ফাঁসুড়ে হিসেবে আমার নামডাকে কান দিলেন না ~ যে
যে ~ কাফকা ফ্রায়েড চিকেন আসলে কেএফসি ~ যে
যে ~ নদীর মৃত্যুতে পুরসভায় শোকসভা হয় না ~ যে
যে ~ খেয়েছে সে দুঃখের আরশোলার পেটে জন্মাবার ফলে ~ যে
যে ~ পাঁজর গোনার বয়সে পৌঁছোতে ~ হাঁপায় ~ যে
যে ~ কৌতূহল ~ আর কীই বা জাগাবে ~ যে
যে ~ প্রথমে সামনের পা তারপর পেছনের পা তুলে ধনুকের মতন ~ যে
যে ~ ঘোড়ার মৃত্যুতে সহিসের বাড়িতে শোকসভা ~ যে
যে ~ লাফ দিতে ~ পারবে না সেই কুচকুচে ঘোড়ার ঢঙে ~ যে
যে ~ নিজের ~ পাদপ্রদীপ নিয়ে উড়তে থাকে ~ যে
যে ~ খুরে-খুরে গড় শুনে টের পায় না গাধা গোরু মোষ ঘোড়া ~ যে
যে ~ জীবনে জেব্রার পিঠে চেপে ~ হায়েনার কান্না এড়িয়েছিল ~ যে
যে ~ বাতি আর আগুন নেভানোর সঙ্কটধ্বনির মানে না-বুঝে ~ যে
যে ~ সুমিষ্ট আর সুগন্ধ ভোজনের সবুজ ঘাস খেয়ে ভাবছিল ~ যে
যে ~ ভেবে ভেবে ~ ভবিদের ভোলানো গেল না ~ যে
যে ~ বীর সিংহের কোমরবন্ধে ঝোলানো খাপে ~ যে
যে ~ বাতাসের মৃত্যুতে উড়োজাহাজের শোকসভা ~ যে
যে ~ টেস্টটিউব খোকাখুকুদের জগতসংসারের নোংরামি থেকে ~ যে
যে ~ বাঁচাতে চেয়েছিল ~ উপায় নেই বলে ~ যে
যে ~ মহৎ মানুষ কেবল নিজের কাজের জন্যই জন্মায় ~ যে
যে ~ নিরো কিংবা নিরোনীর হুমকিতে কুঁকড়ে যেতে বাধ্য ~ যে
যে ~ শিল্পী মাত্রেই ~ উন্নতমানের ঝাড়ুদার ~ যে
যে ~ শব্দের পেটে কপচানি ঢুকিয়ে ভয় দেখাতে পারে ~ যে
যে ~ পিতৃতন্ত্র আর মাতৃতন্ত্র লোপাট হয়ে হিজড়েতন্ত্রের বোদ্ধা ~ যে
যে ~ বইয়ের পাতায় দরোজাগুলোয় উই ধরায় ~ যে
যে ~ বনলতা সেনের চেয়ে জাঁ দুভালের পালতোলা টান ~ যে
যে ~ আবসাঁথ না পেলে আর কোনোদিন মদ ছোঁবো না ভাবতেই ~ যে
যে ~ কিসের লোভে কার্ডধারীরা মুখ বুজে সবকিছু মেনে নিতো ~ যে
যে ~ নদীর মিল্কশেক জল চটচটে হয়ে যেতে থাকে ~ যে
যে ~ দেশ মরলে রাজনীতিকদের আনন্দসভা ~ যে
যে ~ বৃষ্টিতে ~ যে ~ টেলিফোন বুথের প্রাগৈতিহাসিক স্মৃতি ~ যে
যে ~ কাগজের কাপে ব্যথার জীবানু ~ চুমুক দিই ~ যে
যে ~ রবিশংকরে শ্রীশ্রী যোগ করে দেখি বীণা বিয়োগ ~ টাকা ~ যে
যে ~ টুথপেস্টগুলোয় ভ্যানগঘের রঙে দাঁত মাজার ~ যে
যে ~ সব্যসাচী নাম হলেও অর্জুন নয় ~ সাক্ষাৎ বকাসুর ~ যে
যে ~ রক্তমাংসের ধুমকেতু ভোটে জিতলে বাজি পোড়ে ~ যে
যে ~ এই বছর প্রতিটি মাসই বৈশাখ ~ পাঁজি ~ দেখতে ~ যে
যে ~ ফুলশয্যার অ্যামেচার প্রেমিক ~ হটেনটট ভেনাস ~ যে
যে ~ পেছন থেকে চোখ টিপে-ধরা রাষ্ট্রের হাত ~ যে
যে ~ কাক মরলে কাকেদের শোকসভায় বিরক্তি ~ যে
যে ~ প্রেমিকার অপেক্ষায় ছুরিতে শান দিয়ে রান্নাঘরে ~ যে
যে ~ ভিতুদের পুরস্কৃত করার প্রকল্পে ~ কাকাতুয়া ~ যে
যে ~ মুখ থুবড়ে পড়ার মেটাফর ~ হামিংবার্ড ~ টুনটুনি নয় ~ যে
যে ~ মানুষের মৃত্যুতে কেউ শোকসভা কেউ মজাসভা ~ যে
যে ~ যে ~ যে ~ যে ~ যেমন চলছে তেমন চলুক ~ যে ~ যেএ-৪ মাপের কাগজে
এ-৪ মাপের কাগজের একেবারে মাঝখানে ইন্সপেক্টর অ. ব্যা.
হদিশ পাচ্ছিলেন না নামগুলোর মালকিনি কারা
অ্যাসিসস্ট্যান্ট ইন্সপেকটরের মতে এই মেয়েগুলোই অ. ব্যা-কে
খুন করেছে, কিন্তু কেন লেখা, “আমার মৃত্যুর জন্য কেহ…”
যতোগুলো থানায় ইন্সপেক্টর অ. ব্যা-এর পোস্টিঙ হয়েছে
কন্সটেবলরা জানতো উনি প্রতিদিন সকালে গায়ত্রীমন্তর
গুজগুজ করে পড়েন
অথচ ইন্সপেক্টর অ. ব্যা-এর বাড়িতে পুজোর ঘর পাওয়া যায়নি
গঙ্গাজল পাওয়া যায়নি, পাঁজিও না
কিন্তু একটা ঘরে রঙিন ফোলানো গ্যাস-ভরা কনডোম পাওয়া
গেছে, সেই ঘরে তারা নিজের ইচ্ছেয় উড়ছিল
বেলুন ফোলাবার সিলিণ্ডারও পাওয়া গেছে, ঘরের ভেতরে ঢুকে
কমিশনার সায়ের লাফিয়ে লাফিয়ে যতোই অন্তত একটা
কনডোমকে নাগালে আনার চেষ্টা করেন, সেগুলো পালিয়ে
সিলিঙে গিয়ে ফিকফিকিয়ে হাসে
মেঝেয় খুঁজে পান একটা গ্যাস-ফুরোনো কনডোম তাতে কালি ওঠে না
এরকম রঙ দিয়ে একজন মেয়ের নাম লেখা
মেয়েটি কে মেয়েটি কে মেয়েটি কে মেয়েটি কে মেয়েটি কে মেয়েটি
যে কে তা একজন কন্সটেবল বলতে পারল
“হুজুর ও তো বেপাড়ার, এ-৪ কাগজে যতো নাম আছে সবই তার মানে
বেপাড়ার”
এ-৪ তালিকা নিয়ে অ. ব্যা-এর পোস্টিঙের শহরে বেপাড়ায় ঢুঁ মেরে
কমিশনার শ. চ্যা. বিশেষকিছু জানতে পারলেন না
তিনি তো আর খদ্দের হয়ে জাননি, পুলিশ হয়ে গিয়েছিলেন, তাঁকে দেখে
মেয়েরা নিজের অন্য নাম বলেছে, কেননা রোজ সন্ধ্যায় ওদের
নামবদল হয়
শেষকালে অ.ব্যা. সম্পর্কে গুজবই কাজে দিল । অ. ব্যা, গায়ত্রীমন্তর
পড়ার সময়ে রগের ওপরে পিস্তলের নল ঠেকিয়ে পড়তেন
তিনি মনে করতেন যে যদি বেপাড়ায় যাওয়া পাপই হয় তাহলে
৯ এমএম গুলি তাঁর মগজ ফুঁড়ে বেরিয়ে যাবে
তবু তেমন সুরাহা হল না কেননা পিস্তলের ট্রিগারে কারোর
আঙুলের ছাপ পাওয়া গেল না । শ. চ্যা. ফাইলে লিখলেন
“কেস ক্লোজড; কনডোমগুলো ভালো কোম্পানির । ৩৫৯৭টা
কনডোম । অফিসারের ভবিষ্যৎ উজ্জল ছিল । মরণোত্তর
সম্বর্ধনা দেয়া হউক ।”গী এবং আ-এর প্রেম
আ কেন আত্মহত্যা করেছিল তা ওর স্ত্রী গী-এর উথালিপাথালি চিৎকার থেকে
ছেঁকে জানতে পারছিলুম
গী বলছিল, ছি ছি ছি ছি প্যাসেঞ্জার ট্রেন ছাড়া কোনো সুপারফাস্ট ট্রেন
পাওনি গো ! তুমি সবেতেই ফেল করে গেলে গোওওওওওও
গী-এর কান্না আমার বেজায় ভালো লাগছিল, মনে মনে বলছিলুম, আরো কাঁদ
আঁচলখসা বুকের ধবধবে মাখন, আগে তো দেখিনি, আহা
আ কোনো চিরকুট লিখে যায়নি, বেশ করেছে, গী এখন বুঝুক ঠ্যালা, পুলিশ
গী অতিসুন্দরী বলে আ কোনো যৌতুক নেয়নি, চাউনিতেই ঘায়েল
হয়ে গিয়েছিল, বিছানায় বিফল হয়ে গেল, কেন !
গী ভার্জিন থেকে গেল । এর পর যদি গী কাউকে বিয়ে করে সে কি
অবন্তিকার কমপ্লেকসিটি
শ, যে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, অবন্তিকার প্রেমিক নং ১, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়বার সময়ে ওর সঙ্গে ইংরেজিতে
প্রেম করতো ।
শ-এর বাবা জ ( দুই ) ফরাসিদেশ থেকে হটেনটট ভেনাসের যোনি
কিনে এনেছিলেন ( কথিত আছে )।
জ ( এক ) যিনি অবন্তিকার মেশোমশায়, তা জানতে পারেন, শ-এর
বাড়ি যেতে বারণ করে দ্যান।
অলোকনন্দা গোস্বামী দোলের দিন রঙ খেলতে চায়নি বলে শিফন
শাড়ি পরেছিল।
অবন্তিকার খুব ঈর্ষা হল, শিফন শাড়ি দিয়ে অলোকনন্দার মাইয়ের
খাঁজ দেখা যাচ্ছিল ।
জ ( দুই ) নামকরা পেইনটার, উনি কেবল যুবতীদের খাঁজ আঁকেন,
কলকাতার কালবৈশাখিতে অনেকের খাঁজে জল চুয়েছিল
অবন্তিকার মনে হতো প্রেম কেবল মাতৃভাষায় সম্ভব, একদিন
অ্যানাইস নিনকে লেখা হেনরি মিলারের চিঠি পড়ে বুঝতে
পারলো যে শ বই থেকে টুকলিফাই করেছিল ।
ক্লাসটিচার সিসটার ব ( এক ) আয়ারল্যাণ্ডে ফিরে গেলেন, তাঁর
বদলি টিচার কেরালার, সিসটার আইয়াক্কম ।
জ ( দুই ) কেরালার টিচারকে বাইবেল উপহার দিলেন, যাতে কালচে
খাঁজ আঁকতে পারেন ।
অবন্তিকা ২নং প্রেমিক খ ( তিন ) এর দিকে ঝুঁকলো, কেননা
সে স্কুলে বাংলায় প্রথম হতো আর অবন্তিকার মেসোর
ওপন হার্ট সার্জারির খরচ দিয়েছে।
প্রতিদান হিসেবে অবন্তিকা খ ( তিন ) কে ব্লাউজে হাত ঢুকিয়ে
টিপতে অনুমতি দিয়েছিল ( আহা কী আনন্দ )।
মিস্টার শৈলেন বোস মারা গেছেন । মিস্টার অজিত গাঙ্গুলিও।
অবন্তিকা ওনাদের নাম শোনেনি ।
দ ( দুই ) এর দপতরে শ চাকরি করতে গেল ; খ ( তিন )
ইটালির একজন ছাত্রীর সঙ্গে চলে গেল বিদেশে ।
প্রেম সম্পর্কে অনির্বাণের কোনো ধারণা গড়ে ওঠার আগেই র-নামের
স্কুল থেকে সে দ-নামের কলেজে ভর্তি হবার পর অবন্তিকা
যাকে সবাই অবু বলে ডাকতো, পরিচয়ের প্রথম দিনেই বললে
আমি ডেটিং-ফেটিং করি না।
অনির্বাণ, যে জ ( দুই ) এর জারজ ছেলে, উত্তরে বলেছিল, আমিও
ফাকিং-সাকিং করি না । বেচারা ন্যাড়া বোষ্টম হয়ে গেল।
“মেয়েদের মাসিক প্রকাশ করা উচিত নয়”, সাইনবোর্ডে লেখা, তলায়
পেইনটিঙ, জিনস-পরা যুবতীর মাসিক হবার রক্ত লেগে।
পত্রিকার নাম ‘আরেত্তেরি ইস কি মা কা আঁখ’ ।
পড়ার পর অবন্তিকা নিজের পাছায় হাত দিয়ে চেক করে নিল। নেই।
যুবতী সাইনবোর্ড থেকে নেমে জিগ্যেস করল, পাতা ফুঁকবে?
মইনুদ্দিন খানের কাঁধে হাত রেখে জ ( এক ) নির্বাচনে কজন মারা
গেছে তা আলোচনা করতে-করতে গেল।
কালবৈশাখির মেঘ একটু একটু করে জমা হচ্ছে, ছাতা আনেননি
কেরালার টিচার, ওনার খাঁজ অতিপবিত্র, দেখানো যাবে না
বৃষ্টির জল তা মানতে বাধ্য নয় ।
শ একদিন জানতে পারলো তার বাবা জ ( দুই ) যাকে হটেনটট
ভেনাসের যোনি বলে সকলকে ঈর্ষায় পুড়িয়েছেন তা আসলে
ফরম্যালিনে চোবানো বড়ো বাদুড়
খবরের কাগজে সংবাদটা পড়ে ম, যার সঙ্গে স্নাতকোত্তর পড়ার সময়ে
অবন্তিকার পরিচয় হবে, নিজেকে বলেছিল কি লজ্জা কি লজ্জা
মরা বাদুড় দেখেও লিঙ্গোথ্থান হয় ।
অনির্বাণ বোষ্টম হয়ে এক সুন্দরী বোষ্টমীকে ফাঁসিয়েছে, কী কুক্ষণে যে
লটারির টিকিট কিনেছিল দশ লক্ষ টাকা পেয়ে চুল গজালো।
অবন্তিকা একদিন ম-কে কাফে কফি ডে-তে বললে যে ওর একটা মাই
কেউ এখনও টেপেনি ।
ম বলেছিল, চিন্তা করিসনি, আমি টিপে দেবো । ম এমনই চরিত্রহীন যে
তার আগেই শ-এর খুড়তুতো বোনের মাই টেপার অফারের
সদ্ব্যাবহার করে ফেলল।
খবরের কাগজের উত্তর সম্পাদকীয়তে হটেনটট ভেনাসের আসল যোনি
আর জ ( দুই )-এর বাদুড় যোনির তুলনা প্রকাশিত হলো।
পেইনটিঙের সমালোচকরা আবিষ্কার করলেন জ ( দুই ) এর খাঁজের
তেলরঙগুলো আসলে বাদুড়দের ছবি ।
ম একদিন অবন্তিকাকে প্রস্তাব দিল যে পূর্ণিমার রাতে সেন্ট্রাল পার্কের
ঘাসে ফুলশয্যা করা যাক ।
ম-এর মা ট ( দশ ) পার্কে সঙ্গমরত দুজন মানুষকে ভাবলেন ভুত আর
ভুতনির অষ্টাঙ্গদশা, দেখেই দুহাত তুলে দৌড়োলেন ।
ম-এর বড়ো ভাই প ( এক ) মাকে দৌড়ে আসতে দেখে সাপ মারার
লাঠি নিয়ে পার্কে ছোটোভাইকে দেখে চটে গেলেন।
ম-এর মা ট ( দশ ) বড়ো ভাই প ( এক ) কে স্তোক দিলেন যে তোকে
তিনচারটে মেয়ের সঙ্গে একই দিনে বিয়ে দেবো।
ট ( দশ ) এর ছোটোবোন ট ( নয় ) যে জ ( এক )-এর ডিভোর্সি বউ
তা কেবল অবন্তিকা আর ম জানতো।
ট ( নয় ) ম-কে বললেন, ঘাসে লীলেখেলা করিস কেন রে, হাঁটু ছড়ে
যাবে, আমার বাড়ির ব্যবহার-না-করা বিছানা তো ছিলই।
ট ( নয় ) এর ব্যবহার-না-করা বিছানায় লিলেখেলা করার সময়ে ম-কে
অবন্তিকা বললে, তুমি আমার প্রেমিক নং ১৮ ।
ম অবাক হলো যে এর আগে সতেরোজন প্রেমিক কি বিছানার চাদরে
রক্ত মাখাতে পারেনি !
অবন্তিকা ম-কে জানালো যে জ ( এক ) যিনি ওর মেসোমশায় তিনি
এই শহরের ভার্জিনিটি রিপেয়ার বিশেষজ্ঞ ।
শ, যে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, জ ( এক )-এর ভার্জিনিটি রিপেয়ারের
হিসেব রাখে, তার কাছ থেকে ম জানতে পারলো যে এই শহরের
প্রতিটি ভার্জিনের ভার্জিনিটি রিপেয়ার করা ।
জ (এক ) আর জ ( দুই ) দুজনেই তাঁদের স্হাবর-অস্হাবর সম্পত্তি ম
আর অবন্তিকাকে লিখে দিয়ে গেছেন ।
ম আর অবন্তিকা ছেলে মেয়ে বউ জামাই নাতি নাতনি নিয়ে এখন সুখে
থাকার চেষ্টা করে অথচ পারে না ।
আরেত্তেরি ইস কি মাঁ কা আঁখ
কন্ঠস্বরে শাকাহারি ঘুর্ণি
এই কথার মানে আমি জানি কিন্তু তরুণীটিকে চিনতে পারলুম না
ওফ, তরুণীটির সে কি ঘেমোত্বকের স্ফূলিঙ্গ
ওই স্ফূলিঙ্গ আমি চিনি, সে কথায় পরে আসছি
এমন নয় যে আমার চামড়ায় রুই মাছের আঁশ আছে বলে
তারপর চোখের আলোয় চোখের ভেতরে দেখতে পেতেন
আর বাড়ি ফিরে তাদের স্কেচ আঁকতেন পয়সা খরচ হতো না
মিকেলাঞ্জেলো, রুবেন, এদুয়ার্দ মনে, এগোন শেলে
দিয়েগো ভেলাসকোয়েজ এত্তোজন বিরাট বিরাট শিল্পী
রবীন্দ্রনাথের আঁকা জলরঙটা আমায় দিয়ে গালে চুমু খেয়ে
ফরাসি ভাষায় নগ্নিকা যা বললে তা ওই ঘেমোত্বকের
লেবেলসমূহ:
Adhunantika Poetry,
Postmodern Poetry,
Uttaradhunik Poetry
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



